Wednesday, August 26, 2015

যদিও জানি তবু মানি কিনা দেখে নেইঃ

১। কারও বিপদে হাসবেন না! আপনি জানেন না, একটু পর আপনার জন্য কী অপেক্ষা করছে। সুতরাং নিজের ভালোর জন্য হলেও পরের ব্যাপারে সদয় হোন।
২। অহংকার করেন? মনে রাখা ভালো, গাছের উঁচু শাখাটির উপরও বিস্তীর্ণ আকাশের অবস্থান। আবার সেই নীল আকাশও ঢাকা পড়ে বিশাল কালো মেঘে! কাউকেই ছোট করার অধিকার আপনাকে দেওয়া হয়নি, সুতরাং বড়াই করার অভ্যাস থাকলে আজই ত্যাগ করুন।
৩। এটা-সেটা হাজার কিছু করে বেড়ান? ভাবছেন সাহস আছে- তাই ছাড়া পেয়ে যায়? কিংবা ভাবেন, আমি তো মুক্ত পাখি। আমাকে রুখবে সে সাধ্য কার? মনে রাখা ভালো, সাগরে বিশাল আকৃতির যে মাছটি ভরপেটে খেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে-- সেই মাছটিও মুক্ত অবস্থায় থাকে। কিন্তু একসময় জালে ধরা পড়ে তার জীবনেরও অবসান হয়! আজ আপনি মুক্ত, ভাবুন না কাল কী হতে পারে?
৪। অবহেলা করেন যে কোনও কিছুকে? বলেন নাকি এমন-“একটুতেই উতলা হবার প্রয়োজন নেই”?
জেনে রাখুন- বিপদের সূত্রপাত হয় ছোট ছোট সব অবহেলা থেকেই। এ ক্ষেত্রেও উপরের সূত্রটি কার্যকর- “আজ না হয় কিছু হয়নি, জানেন না কাল কী হতে চলেছে”!
৫। সফল হতে চাই! নিশ্চয় বালিশের উপর মাথা দিয়ে এমনটা ভেবে থাকেন?
বালিশটা সরিয়ে রেখে কাজে নেমে পড়ুন। বালিশে মাথা রেখে ভালো ঘুম হয়, কিন্তু বাস্তব কোনও স্বপ্নপূরণের স্থান ঐ বালিশ নয়!
বাস্তববাদী হতে শিখুন! শিক্ষার উদ্দেশ্য বই পড়া কিংবা ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং আপনাকে রক্ষা করা, আপনাকে এগিয়ে নেওয়া। নীতি বাক্যগুলোকে স্রেফ বইয়ের কথা বলে ফেলে রাখবেন না। সেগুলিকে কাজে রূপান্তর করুন- দেখবেন জীবনটাই বদলে গেছে!

( সংগৃহীত )

Tuesday, August 18, 2015

ব্যাচেলর লাইফ




১. উপর দিয়ে যতই ফিটফাট থাকুন না কেন, প্রত্যেক ব্যাচেলরের বিছানার উপর দেখবেন, লুঙ্গি গোল করে পড়া আছে। লুঙ্গি চেন্জ করে প্যান্ট পড়ার পর, লুঙ্গি গুছিয়ে রাখার মত পর্যাপ্ত সময় ব্যাচেলরদের হাতে থাকে না! তাছাড়া, আরেকটা সুবিধা হচ্ছে, বাইরে থেকে এসেই আবার সেই "গোল করা" লুঙ্গির ভিতর ঢুকে পড়া যায়!
...... ইটস সিম্পল!
২. ব্যাচেলর সাহেবদের শার্ট, টিশার্ট থাকবে ঝকঝকে। কিন্তু প্যান্ট! একমাস ধরে একই জিন্স প্যান্টের উপর অত্যাচার চলে। দুর্গন্ধ সৃষ্টি হলে, সেন্ট মারলে ঝামেলা শেষ। .... দারুণ!
৩. ধরুন, মেস বা হোস্টেলের একজনের ভাইভা আছে কিংবা "বালিকাবন্ সাথে ১ম সাক্ষাত করতে যাবেন! ব্যাস,
ধার করার হিড়িক পড়ে যাবে। নিজের ভালো ড্রেস থাকা সত্বেও অমুকের প্যান্ট, তমুকের শার্ট, আরেকজনের সু ধার করে নিয়ে যাবেনই।
৪. মেসে যদি বুয়া না আসে, সেদিন লঙ্কাকান্ড হয়। নিজেরাই তখন কুক। কেউ হয়ত পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে চোখের
জলে বুক ভাসাবেন, আরেকজন আলু কাটতে গিয়ে নিজের আঙ্গুল কাটবেন, আরেকজন হয়ত গরম পাতিলে হাত পূড়বেন। অবশেষে যুদ্ধ জয়। স্বাদ যেমনই হোক, সবাই বলবে, উফফ দারুণ হইছে .....
৫. পত্রিকা নিয়ে কারো মাথাব্যাথ একজন পত্রিকা পড়া শুরু করলে সবার তখন আগ্রহ বেড়ে যায়। টানাটানি শুরু হয়।
৬. বাইরে থেকে কেউ মেসে/ হোস্টেলে আসলে খুবই অবাক হবেন। রাত বারোটার পর, কিসের যেন গুণগুণ
শব্দ! খেয়াল করলে দেখা যাবে, সবার কানে মোবাইল ফোন। যদি রুমমেটদের গুণগুণানির অভ্যাস না থাকে,
তবে রুমের "রোমান্টিক বেচারা"কে অনেক কষ্ট করতে হয়। প্রচন্ড শীতেও মোবাইল কানে নিয়ে ছাদে কিংবা বারান্দায় চলে যেতে হয়! আহ! কষ্ট!
৭. মেসে/ হোস্টেলে লাইট অফ করা নিয়ে কমন ঝামেলা বাধে, ঝগড়াও হয়। কেউ হয়ত তারাতারি ঘুমিয়ে যান। লাইট জালানো থাকলে তার ঘুম আসে না। রুমমেটের গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকার অভ্যাস। কি আর করা!
৮. মহামতি ব্যাচেলররা টাকা ধার করতে অসাধারণ দক্ষ। "দোস্ত! খুব ইমার্জেন্ছী। ১০০ টাকা দে। আগামী কালকে দিয়ে দেব।" ধারকারী এবং ধারদাতা উভয়েই জানেন, এই আগামীকাল হয়ত ১৫ দিনেও আসবে না। তবুও ধার দিতে হয়।
৯. একজনের হয়ত বার্থডে। সবাই তাকে বাঁশ দেওয়ার চেষ্টা করবে। "দোস্ত! তোর বার্থডে পার্টির আশায়, সারা বছর ওয়েট করি। খাওয়া, খাওয়া।"
১০. যদি কেউ কোন বিপদে পড়ে, এক্সিডেন্টের শিকার হয় কিংবা কারো আত্মীয় স্বজন মারা যায়, সহপাঠিদের মাঝেও নেমে আসে শোকের ছায়া। হাসি কান্না আনন্দ বেদনা ঝগড়া খুনসুটি নিয়েই ব্যাচেলরদের মেস/ হোস্টেল
জীবন। একটা সময় এই জীবনের সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু সুমধুর স্মৃতি গুলো কি ভোলা যায.... সত্যিই জীবনের এক মধুরতম সময় এই ব্যাচেলর লাইফ.....

কি অদ্ভুদ আসক্তি!




কি অদ্ভুদ আসক্তি!

বর্তমানে একটা বড় আসক্তির নাম ফেইসবুক। প্রতেকটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে সে দেশের ইয়াং জেনারেশনের উপর। আর আমাদের দেশের মত উন্নয়নশীল দেশ হা করে তাকিয়ে আছে ইয়্যাং দের উপর।
কিন্তু এই ইয়্যাং পোলাপাইন যখন দিন-রাত এক করে ফেইসবুকে মগ্ন থাকে তখন নিকট ভবিষ্যত ও অনিশ্চিত হয়ে পরে। যেমনি এদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থমকে থাকে সেই শৈশবে তেমনি মানসিক কিংবা সামাজিক বৃদ্ধি ও থমকে যায়। নিজের উন্নয়ন কিংবা দেশের উন্নয়ন কি তা তারা জানে না। দিন-রাত সব-সময় ফেইসবুক ফেইসবুক।
আগে ছেলে-মেয়েরা মাঠে খেলা করতো, খাল-বিলে লাফালাফি-দৌড় ঝাপ করতো। তা মৌনিক বিকাশ লাভের ক্ষেত্রে ছিল খুবই পজেটিভ। আজ ফেইসবুক আমাদের জীবনে একটা কাল-বুক হয়ে দাড়িয়েছে। ছেলে-মেয়েরা ঘর কুনে হয়ে পরেছে। একটা মেয়ে কিংবা ছেলে অচিতেই একাধিক ছেলে বা মেয়ের সাথে প্রেম-সম্পর্কে জড়ায়। ভেঙে যাচ্ছে একের-পর এক দাম্পত্য জীবন।
ফেইস বুক এখন আর ব্যক্তিগত সমস্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এটা দেশ তথাপি গোটা-পৃথিবীর মধ্যে মারাত্মক এবং প্রধান ভাইরাস।
সময় বিবেচনা করে সব কিছু ম্যানেজ করে করাই শ্ব্যেয়।

Sunday, August 9, 2015

অন্যরকম আলো


অপেক্ষার অবসান হবে ,
কষ্টগুলো খুঁজে পাবে আর কোনো পথ ,
বিষন্ন বিকেল গড়াবে সোনালী সন্ধ্যায় ,
শুধু চলে যাবে জীবনের কিছুটা সময় ,
ভর করে প্রজাপতির ডানায় ,
ফিরবেনা আর ,
ফিরবেনা সেকেন্ড
ফিরবেনা মিনিট
ফিরবেনা ঘন্টা ,
ফিরবেনা  বিষন্ন মুখ
হয়তো অন্যরকম আলোয়
ভুলে যাবো
বড় কষ্টে কেটেছিলো সময়।

Saturday, August 8, 2015

অদ্ভুত অন্ধকার চারপাশে। অন্ধকার এতোটা তীব্র হয় আমি -


অদ্ভুত অন্ধকার চারপাশে। অন্ধকার এতোটা  তীব্র হয় আমি দেখিনি আগে। এতটুকু ছিটেফোঁটা আলো নেই যার ওপর নির্ভর করে চোখ খুঁজে পাবে কিছুটা আশ্রয়। বড় বেশি ক্লান্ত হয়ে ওঠে চোখ আলো খুঁজতে খুঁজতে। অন্তত একটা অবয়ব কে দেখার চেষ্টা। আর কিছু নয়। ওই অদ্ভুত আঁধারে বাবা বলে চলেছে তোমার গল্প।তোমায় হারিয়ে ফেলার গল্প। মজার ব্যাপার হলো গল্পটা আমার প্রায় শতবার শোনা হয়ে গেছে। কিন্তু প্রতিবারই একটা জায়গায় এসে আমি আর মনোযোগ রাখতে পারিনা। খুব আশ্চর্য্যজনকভাবে আমি ওই একটা জায়গা থেকেই নিজের মতন করে অন্য আরেকটা গল্প তৈরী করতে থাকি।

গল্পের অর্ধেক টায় চলে আসে তোমায় হাসপাতালে নেয়ার কথা।আমিও বাবার হাত ধরে ঢুকে যাই হাসপাতালে।যে যন্ত্র টাতে বারবার ভেসে উঠছে তোমার একটু একটু করে চলে যাওয়া ,একটা একটা করে শেষ নিঃশ্বাস টা নিয়ে নেবার যে যন্ত্র টা? জানো ?আমি না ওখানে যাই? তারপর চুপটি করে যন্ত্রটা  উল্টে দি।মুহুর্তেই ভেসে ওঠে তোমার মৃদু হাসিমুখ। এইতো ,এইতো তুমি শ্বাস নিচ্ছ। আশ্চর্য্য! ঘড়িটাও পাল্টে যায় খুব সন্তর্পনে। ঘন্টার কাঁটা টা ছিলো ৩ টায়।  রাত ৩টা থেকে সকাল ৯ টা হয়ে গেলোতো।এইতো দেখোনা সকালের তীব্র আলো। ওই আলোতে কখনো যমদূত আসতে পারে?কক্ষনো পারেনা। দেখোনা পর্দাটা সরিয়ে। দেখো আমরা হাত ধরাধরি করে স্কুল যাচ্ছি। এতো দৌঁড়ঝাপ ,তুমিকি চিনতে পারছো মা? কোন শিশুটা তোমার রুদ্মিলা ?কৃষ্ণচুড়ার আর সোনালুর হাট বসেছে আজ পাহাড়ের ওই স্কুল টাতে। তুমি খুলে দাও চুল ছোট্টবেলার মতন। তোমার মনে  আছে মা ,আজ তুমি স্নানের পরে চুলটা শুকনোর সময়টুকুও পাওনি। খুলে দাও চুল,উড়িয়ে দাও হাওয়ায়।তোমার ক্লান্ত মুখটা আমি আরেকবার দেখি।আমায় পিছু ফিরে চাইতে দাও মা। একবার। শুধু একবার তোমার ক্লান্ত মুখটা আমাকে কাঁদাক। আমি অস্থির হই। ছুটে এসে তোমায় কিছু বিশ্রাম দি। তোমায় চুমু খাই।একবার শুধু একবার ফিরিয়ে দাও সময়।


Copy paste